খুলনা জেলার আটটি উপজেলায় বছরজুড়ে জলাবদ্ধতার মুখে পড়ছে খেত
খ লন র ৮ উপজ ল – খুলনা জেলার আটটি উপজেলায় বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট কারণে ঘটছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি জরিপে এই সমস্যার পেছনে সরাসরি ১৫টি কারণ উঠে এসেছে। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের কারণে বিভিন্ন জমি জলাবদ্ধ হচ্ছে।
জরিপে খুলনার আটটি উপজেলা নিয়ে বিশদ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো লবণচরা থানাসহ সমস্ত উপজেলা ছাড়া দাকোপ। স্থায়ী জলাবদ্ধতা প্রায় ১ হাজার ১৭৮ হেক্টর জমিতে ঘটছে বলে দেখা গেছে। অস্থায়ী জলাবদ্ধতা কেন্দ্রিক হয়েছে এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৫৮৬ হেক্টর জমিতে। এ ছাড়া তাপপ্রবাহ ও শৈত্যপ্রবাহ সহ নানা প্রাকৃতিক ঘটনা সমস্যার মুখে পড়েছে।
বোরো মৌসুমে ধরনানুযায়ী ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সারা বছর জলাবদ্ধতার কারণ তলায় খুঁজে বার করেছিল। সর্বমোট পাঁচ হাজার হেক্টর জমি আগাম বৃষ্টি ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বোরো ও দাকোপের তরমুজ খেত এপ্রিল শেষে এবং মে মাসের শুরুতে ভাঙচুর ঘটেছিল। মাঝারি বৃষ্টি সহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
“সাচিয়াদাহ, ছাগলাদাহ ও তেরখাদা ইউনিয়নের নিচু জমিতে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হয় না। ভুতিয়ার বিলের ১০০ হেক্টর জমি স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে বিপাকে পড়েছে। এর কারণ হলো ওই এলাকা প্রাকৃতিকভাবে নিচু।”
তেরখাদা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শিউলী মজুমদার বলেন, খাল পুনঃখনন এবং স্লুইচগেট দিয়ে পানি স্বাভাবিক ভাবে নিষ্কাশন হলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সমাপ্তি ঘটবে। একই সঙ্গে চাষযোগ্য আবাদি জমির পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে।
নদ-নদী প্রবাহ কমে জল সঞ্চিত হচ্ছে
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুলনায় ১২টি নদ-নদী রয়েছে। সাধারণত বর্ষার সময় এগুলো পানি নিষ্কাশনের কাজ করে, কিন্তু অধিকাংশ নদী ভরাট ও দখলের কবলে পড়ে বিপদের মুখে আছে। এসব নদী হলো শোলমারী, হামকুড়া, হরি সহ অন্যান্য।
বটিয়াঘাটা সেতু নির্মাণের ফলে কাজিবাছা নদীর প্রবাহ কমে গেছে। এতে বর্ষা মৌসুমে আশপাশের গ্রামগুলোয় জলাবদ্ধতা হয়েছে।
“ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় নিচু জমিতে শাক-সবজির আবাদ হয�
