ঝালকাঠিতে লাশবাহী খাটিয়ায় পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় আহত ৫, গাড়িতে আগুন
ঝ লক ঠ ত ল শব হ – ঝালকাঠি প্রতিনিধিত্বকারী দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য বিস্তারিত করে একটি খবর সূত্র থেকে জানা গেল। এই দুর্ঘটনার কারণে সড়ক বরিশাল-পটুয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল ক্ষুব্ধ জনতার আগুন ধরিয়ে দেয়ার ফলে কিছু সময় স্থগিত হয়ে যায়। আহতদের মধ্যে ঝালকাঠি এলাকার একজন মৃত ব্যক্তি এবং তাঁর স্বজনদের অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হন। সোমবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জিরো পয়েন্ট এলাকার সমাজদার বাড়ির সামনে (বকুলতা এলাকায়) এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বরিশালগামী একটি পিকআপ ভ্যান খাটিয়া বহনকারীদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আঘাত করে। আহতদের মধ্যে মো. ওলি, শ্যালক নাছির, মো. রেজা এবং মেয়ের ঘরের এক নাতি রয়েছেন। এ দুর্ঘটনার ফলে মরদেহটি সড়কে পড়ে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর যান চলাচল দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে।
দুর্ঘটনা ঘটার প্রক্রিয়া
ঝালকাঠি সাংবাদিক সূত্রে জানা গেল যে মৃত ব্যক্তি কামরুল ইসলাম খান এর বাড়ি থেকে তাঁর মৃত দেহ জানাজার জন্য খাটিয়া বহনকরে যাচ্ছিল তাঁর স্বজনেরা। গাড়িটি কিছু সময় সড়কে চলাচল করে আসছিল কিন্তু খাটিয়া বহনকারীদের চাপা দিয়ে কয়েকজন আহত হন। ভ্যানটি চালক ছাড়া বিপর্যয়ের দৃশ্য তৈরি করে কাছাকাছি অনেকে জড়ায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে। নলছিটি থানা পৌঁছে প্রায় ২৫ মিনিট পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ক্ষতিগ্রস্তদের স্থিতি কী হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য
পিকআপ ভ্যানের ধাক্কার ফলে ঝালকাঠির এই অংশে যে সামাজিক অবস্থা ছড়িয়ে পড়েছিল তা বিস্তারিত করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেল যে ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা গাড়িটিতে আগুন দেয়। বিপর্যয়ের কারণে ঝালকাঠি এলাকার মানুষ একটি বিশাল সংখ্যক মানুষ ঘটনাস্থলে আসেন। এখানে কিছু সময় সাধারণ মানুষ গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে কিন্তু আগুন ধরিয়ে দেয়া সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর ঝালকাঠি সাংবাদিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত কিছু সময় সাথে সাথে চারপাশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঝালকাঠি সাংবাদিক তথ্যে জানা গেল যে মৃত ব্যক্তি পিকআপ ভ্যানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর মরদেহ সড়কে পড়ে। আহতদের মধ্যে কিছু সময় সমাজদার বাড়ির সামনে বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করা হয়। উপজেলার কিছু সময় নিয়ন্ত্রণ হারানো পর আহতদের চিকিত্সার জন্য কিছু সময় আসরাম সেন্টার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ঝালকা�
