হামের চাপে শেবাচিম ও জেনারেল হাসপাতাল চাপ পড়ছে
হ ম র চ প শ ব – হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল জেলায় শিশুদের মধ্যে, যার ফলে শেবাচিম ও জেনারেল হাসপাতালগুলোতে চাপ বেড়েছে। উপজেলা হাসপাতালগুলো এই সংকট মোকাবিলা করতে পারছে না বলে অভিহিত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ঘোষণা করেছে যে বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে রোগী চাপ তৈরি হচ্ছে হাম আক্রান্ত রোগীদের বৃদ্ধির কারণে।
বরিশালে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে
বরিশাল জেলার নয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোমবার পর্যন্ত হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন ৬৭ জন। গত দুই দিনে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা ক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছে: শনিবার হাসপাতালে ১৩৩ জন এবং রোববার ১১৫ জন। উপজেলা হাসপাতালগুলো তুলনামূলকভাবে কম রোগী আক্রান্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু শেবাচিম ও জেনারেল হাসপাতালগুলো এই আক্রমণের কারণে প্রতিদিন রোগী চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরকারি সভার পর নির্দেশ প্রকাশ হয়েছে
হাম আক্রান্ত রোগীদের অপ্রয়োজনে বিভাগীয় শহরে রেফার করার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সপ্তাহে বরিশাল জেলায় পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ে একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং বিভাগের উপর কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা হাসপাতালগুলো হাম রোগী ধরে রাখতে পারছে না বলে একটি সংকট তৈরি হয়েছে যা শেবাচিম ও জেনারেল হাসপাতালগুলোর ভার বৃদ্ধি করেছে।
বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে এখন হাম উপসর্গ নিয়ে রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ সেখানে ৪৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। রোববার হাসপাতালে ছিল ৩৭ জন এবং শনিবার ৫০ জন। হাসপাতালটির সর্বাধিক ১০০ শয্যা ধারণ ক্ষমতা বেশি রোগী ধরে রাখার কারণে বারান্দাতেও চিকিৎসা দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়েছে। ইনডোর বিভাগে মোট রোগী ছিল ১৮১ জন। কিন্তু চিকিৎসকের সংখ্যা কম থাকায় দ্বিতীয় তলার তিনটি বারান্দায় রোগীদের স্থানান্তর করা হচ্ছে।
শেবাচিম হাসপাতালে হাম আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা গত দুই দিনে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আজ সোমবার সেখানে ভর্তি হয়েছে ১২০ জন। গত দুই দিনে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে: শনিবার ১৩৩ জন এবং রোববার ১১৫ জন। এই পরিস্থিতি কারণে হাম রোগী ধরে �
