জিলহজের প্রথম ১০ দিনে চুল-নখ না কাটলে যে ফজিলত
জ লহজ র প রথম ১০ দ – জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন আল্লাহ প্রিয়তম মনে করেন। এই অবধি গুলো নিয়ত করে কোরবানি সম্পন্ন করার জন্য অনেকে পশু প্রস্তুত করেন। প্রতিটি দিন এই মাসে সৎ কাজের পুণ্য প্রাপ্তি বৃদ্ধি পায়। আল্লাহর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে এই সময়টি আরও পবিত্র।
কোরবানির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করার আমল
যাঁরা কোরবানি করবেন, তাঁদের জন্য জিলহজ মাসের প্রথম দিন থেকে কোরবানি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত চুল, নখ এবং শরীরের অযাচিত লোম কাটা থেকে বিরত থাকা একটি বিশেষ আমল। নবী করিম (সা.) এই অবধি গুলোতে কোরবানি করার সময় নিয়ত করার ব্যক্তিদের সংযমের উপর জোর দিয়েছেন। আল্লাহ প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে এই আমলটি সরাসরি সহায়ক।
উম্মে সালামার হাদিস থেকে বিশেষ মুস্তাহাব
রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বলেছেন— জিলহজের প্রথম দিন থেকে কোরবানি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকা একটি আল্লাহর আদেশের প্রতি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও আলাইহিস সাল্লাম করেছেন সম্মান প্রদর্শনের আমল। এটি সম্পূর্ণ মুমিনের প্রতি বিশেষ প্রশংসা অর্জন করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “এই দিনগুলোতে নিয়ত করে কোরবানি করা জন্য চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকা সম্মান প্রদর্শনের জন্য সর্বোপরি করা উচিত।”
এই আমলটি আল্লাহর আদেশ মেনে চলার প্রতি সম্মান বৈশিষ্ট্য নিয়ে থাকা জন্য বিশেষ গুরুত্ব প্রদর্শন করে। এটি কেবল কোরবানি দাতাদের জন্য নয়, কেবলমাত্র কোরবানি করা সম্ভব না হলেও এই সময়ে সংযমের জন্য বিশেষ উপযুক্ত। ইসলামি স্কলাররা আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসের ভিত্তিতে বলেন, এই সময়ে কোরবানি করতে সক্ষম না হলেও চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকা করে আল্লাহ তাআলা তাঁদের পূর্ণ কোরবানির পুণ্য প্রদান করতে পারেন। এই অবধি গুলোতে সংযম করা মানুষের প্রতি পবিত্র কাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
আল্লাহর আদেশ মেনে চলার আমল কীভাবে অর্থপ্রদান করে
নিয়মিত চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকা আল্লাহ প্রতি করুন নামায ও আমলের সম্মান প্রদর্শনের একটি উপা�
