চট্টগ্রামে বিএনপি ও এনসিপির মুখোমুখি দাঁড়ানো
জ ল ইয় র গ র ফ – জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলার ঘটনাকে মূল কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে বিএনপি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পরস্পর মুখোমুখি হয়েছে। মে মাসের ১৭ তারিখ রাতে টাইগারপাস এলাকায় দুই দলের কর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান তুলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির অবতারণা হয়। কিন্তু পুলিশের হাজির হওয়ার কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
রাতে সাড়ে ৭টা সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) প্রবেশমুখে এনসিপির কর্মীরা বিক্ষোভ তৈরি করে। তারা টাইগারপাস এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ের সামনে ব্যারিকেড তৈরি করে এবং সড়ক ও দেয়ালে নতুন স্লোগান লিখে। কয়েকটি স্লোগানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এনসিপির কর্মীরা সেখান থেকে সরে গেলে বিএনপি কর্মীরা টাইগারপাস এলাকায় মিছিল বের করে।
গ্রাফিতি নিয়ে আমার অবস্থান তুলে ধরার পরও এনসিপির এক বিতর্কিত নেতা শহরকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। জুলাই বিপ্লবে আমার বাসায় হামলা হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে, ১৬টি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। আমার সামনে মায়াকান্না করে লাভ নেই। আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের দিয়ে নান্দনিক গ্রাফিতি অঙ্কন করা হবে। চসিক এ জন্য টাকা দেবে। যদি চসিক না পারে তাহলে আমার পকেটের টাকায় এটি বাস্তবায়ন করব।
রাত ১১টার দিকে দুই পক্ষের কর্মীরা টাইগারপাস এলাকায় অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে ৩০ থেকে ৪০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। রাত সাড়ে ১২টার সময় পর্যন্ত সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করলেও কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে রাত সোয়া ১২টার দিকে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন লালখান বাজার এলাকায় কর্মীদের সামনে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি নিজের ওপর হওয়া নির্যাতন ও মারামারি সম্পর্কে জানান। তিনি আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে নতুন গ্রাফিতি অঙ্কনের প্রস্তাব দেন।
এদিকে চসিক মেয়রের মেয়াদ শেষ হয়েছে উল্লেখ করে তাঁকে পদ থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানান এনসিপি নেতা আরিফ মঈনুদ্দিন।
