Bangladesh

বেলকুচির শেরনগর মধ্যপাড়া: শিল্পবর্জ্যে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ

বেলকুচির শেরনগর মধ্যপাড়া: শিল্পবর্জ্যে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ

ব লক চ র শ রনগর – বেলকুচি পৌরসভার শেরনগর মধ্যপাড়ায় স্থানীয় বাসিন্তের আরও কঠিন দিন আসছে। ঘরের আঙিনাজুড়ে কালচে পানি জমে থাকার কারণে কোথাও ড্রেন পানি উপচে উঠছে, কোথাও ময়লা পানি সরু সড়কে আটকে রয়েছে। বৃষ্টির সময় এলাকার স্থানীয়দের বিপদ হারিয়ে ওঠে এবং মশার সংখ্যা বাড়তে থাকে।

স্থানীয় আব্দুল হালিম মণ্ডল বলেন, ‘আমাদের কষ্টের কথা শেষ করা যাবে না। টিউবওয়েলের পানিতেও গন্ধ। বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতরে পানি উঠে যায়। এই এলাকার কথা শুনে অনেকে আত্মীয়তা করতে চায় না। ছেলে-মেয়ের বিয়ে হলে লোকজন এসে না বসেই চলে যায়।’ বাসিন্তের জন্য বছরে পর বছর ধরে সমস্যার সামনে কোন সুফল পাওয়া যায়নি।

এই এলাকায় জলাবদ্ধতা এবং দুর্গন্ধে জন্ম নিয়েছে মশা। বৃষ্টি হলে ছেলে-মেয়ে ঘরে থাকতে পারে না। পানি উঠে আসে কোমরপানি। রান্নাবান্না করা যায় না। আমরা গরিব মানুষ, কোথায় যাব? সামনে ঈদ। আবার বৃষ্টি হলে ঘরে ঈদ করা কঠিন হবে।’ – আলেয়া বেগম

স্থানীয়দের অভিযোগ, সুতা প্রক্রিয়াজাত কারখানার বর্জ্যপানি এবং অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে জলাবদ্ধতা হয়ে ওঠে। এলাকার আধা হাজার মানুষ সামনে ঈদের সময় পরিস্থিতির জন্য আশঙ্কা করছে।

বৃষ্টি হলে ১০-১৫ দিন স্কুলে যেতে পারে না। খেলাধুলাও করতে পারে না।’ – রাহাত জানায়

বেলকুচি পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘পানি নিষ্কাশনের জন্য রাজস্ব তহবিল থেকে ১ কিলোমিটার কাজ শুরু করা হয়েছে। ৩০০ মিটার খাল খনন শেষ হয়েছে। কিছু জটিলতার কারণে বাকি কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। জটিলতা শেষ হলে ৭০০ মিটার খাল খনন করা হবে।’

আলেয়া বেগম নামের এক গৃহবধূ বলেন, ‘বৃষ্টি হলে কোমরপানি হয়। রান্নাবান্না করা যায় না। অন্য কোথাও গিয়ে থাকার সামর্থ্যও নেই আমাদের।’ মুদিদোকানি শমসের আলী বলেন, ‘পানির গন্ধে দোকানে বসা কষ্ট হয়ে যায়। এভাবে কত দিন চলবে বুঝতে পারছি না।’

বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার �

Leave a Comment