Bangladesh

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর: ৩ জাহাজ লুট, নিরাপত্তা উদ্বেগ

Foto : Joseph Lopez - banglajibon.com

চট্টগ্রাম বন্দরে বহির্নোঙরে লুটপাট ঘটল তিনটি বিদেশি জাহাজে, নিরাপত্তা বিষয়ে চিন্তা জাগিয়েছে

Banglajibon.com – চট টগ র ম বন দর র – প্রায় ২০ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর এলাকায় তিনটি বিদেশি জাহাজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে জাহাজমালিক, শিপিং এজেন্ট ও নাবিকদের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনাগুলো বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সংশয় তোলে।

প্রথম হামলার ঘটনা এক রাতে চলতি বছরের ২৯ জুন দিবাগত ঘটে। সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে পতাকাবাহী সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজ ‘এমভি হাই জু’ চার্লি অ্যাংকরেজে আমদানি করে। জাহাজটি সীতাকুণ্ডের ডায়নামিক শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে ভাঙার জন্য আসে। দিবাগত রাতে প্রায় ১টা ৪০ মিনিটে ২০-২৫ জন জলদস্যু জাহাজে ওঠে। তারা নাবিকদের জিম্মি করে ইঞ্জিন রুমে প্রবেশ করে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের সরঞ্জাম লুট করে। ডায়নামিক শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের সিইও আরিফুল হাসান নয়ন বলেন, ক্যাপ্টেন চট্টগ্রাম বন্দর ও কোস্ট গার্ডকে খবর দেওয়া হয়। তবে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

৩০ জুন অর্থাৎ পরদিন চার্লি অ্যাংকরেজে আসে ‘এমটি আইরোস’ নামের আরেকটি জাহাজ। এটি সীতাকুণ্ডের যমুনা শিপ ব্রেকার্সের মালিক করে আমদানি করে। জাহাজ নোঙর করতে ব্যস্ত হওয়ার সময় জলদস্যু তারা স্পষ্ট ভাবে জাহাজে প্রবেশ করে। এক দল নাবিকদের কাজ বাধা দেয়, অন্য দল ডেক থেকে মুরিং রোপ, ব্যাটারি ও অন্যান্য মূল্যবান সরঞ্জাম লুট করে। যমুনা শিপ ব্রেকার্সের সিইও মোহাম্মদ জাবেদ বলেন, লুট হওয়া সরঞ্জামের মূল্য অন্তত ৫ কোটি টাকা। পুলিশের সহযোগিতায় প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তবে আইনি জটিলতার ভয়ে মামলা করা হয়নি।

সর্বশেষ হামলার ঘটনা ঘটেছে ১৬ জুলাই ভোরে। চার্লি অ্যাংকরেজে সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘তাই শুয়েনে’ আসে। হংকং থেকে আসা জাহাজটির শিপিং এজেন্ট বেন লাইন শিপিংয়ের মালিক মোশাররফ হোসেন বলেন, পাঁচটি কাঠের নৌকায় করে জলদস্যুরা জাহাজে উঠে পড়ে। নাবিকদের নোঙর ফেলতে ব্যস্ত হওয়ার সময় কয়েক মিনিটের মধ্যে তারা জাহাজে প্র

Leave a Comment