International

৫০ বার চেষ্টা করেও মেলেনি সরকারি চাকরি, স্বর্ণপদকজয়ী তরুণের আত্মহত্যা

Foto : Joseph Lopez - banglajibon.com

সরকারি চাকরি পেতে ৫০ বার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিল তরুণ

Banglajibon.com – ৫০ ব র চ ষ ট কর – ৫০ বার চেষ্টা করেও মেলেনি সরকারি চাকরি, এই আতঙ্ক নিয়ে বারবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে বসবাস করতেন স্বর্ণপদকজয়ী বিটেক তরুণ আনন্দ কুমার। তিনি ২০২৪ সালে প্রাণবীর সিং ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (পিএসআইটি) থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হন। প্রতিযোগিতার চাপ অতিক্রম করতে সাহায্য করার জন্য তিনি ক্ষমতার প্রতিযোগী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। কিন্তু সরকারি চাকরি অর্জনে সফল হতে পারেন নি। তিনি আনন্দ কুমার নামে পরিচিত ছিলেন যার জন্য স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়েছিল বিশেষ প্রতিযোগিতার সময়।

তরুণের চেষ্টা ও পরিবারের প্রতিক্রিয়া

আনন্দ কুমার তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে নিজের অসফলতা গৃহিত করেন। তিনি আত্মহত্যা করার আগে একটি চিরকুটে লিখেছিলেন, “দুঃখিত বাবা, আমি প্রায় ৫০ বার সরকারি চাকরি পেতে চেষ্টা করেছি, কিন্তু কখনো সফল হতে পারিনি। আমাকে ক্ষমা করে দিও।” বাবা রাজকুমার বলেন, আনন্দ স্নাতক হওয়ার পর ভারতের জাতীয় বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান ‘পাওয়ার গ্রিড’ এবং এক বছর অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা হন। পরবর্তী বছরগুলিতে সরকারি চাকরি অর্জনের জন্য চূড়ান্ত পরীক্ষায় নির্বাচিত হন নি। তবে তিনি ক্ষমতার প্রতিযোগিতার জন্য প্রায় পঁচাত্তর বার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলেন।

সোমবার সকালে গৃহকর্মী দরজা ধাক্কাধাক্কি করে কলিং বেল বাজানোর পর কোনো সাড়া পায় নি বাড়িতে। তার বড় ভাইয়ের বিয়ের কথা পাকা করতে পরিবারের সদস্যরা বিহারে গিয়েছিলেন। সেই সময় আনন্দ কুমার একাই ছিলেন। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ বাড়ি উপস্থিত হন এবং ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁকে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা বারবার সরকারি চাকরি পেতে চেষ্টা করার অভিজ্ঞতার সীমান্ত সৃষ্টি করেছে।

প্রতিযোগিতার চাপ ও বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য

বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতে সরকারি চাকরি অর্জনে তরুণদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আনন্দ কুমারের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তারিত হয়েছে। তিনি কোনো পদে সফল হতে পারেন নি, কিন্তু সরকারি চাকরি পেতে তিনি একাধিক বছর প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলেন। এই ক্ষেত্রে তাঁর ব্যক্তিগত পরিশ্রম ও সমাজে চাপ মূল কারণ হতে পারে।

ভারতে সরকারি চাকরি পেতে বেশিরভাগ তরুণ অনুভব করেন যে এটি একটি প্রাণপ্রাপ্ত লক্ষ্য। এই ঘটনা নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক চাকরি প্রতিষ্ঠানের আতঙ্ক ও চাপের প্রতি চেয়ে দেখা হচ্ছে। একটি বিশেষ সংবাদ সংস্থা অনুযায়ী, তিনি কোনো ক্ষমতার পদে ব্যর্থতার পর জীবন ত্যাগ করেন। আনন্দ কুমারের কাছে নিজের প্রতিযোগিতার সফলতা না �

Leave a Comment