মেট্রোরেল যাত্রীদের জরিপ: সিটি বাস থেকে আসা বেশি যাত্রী
ম ট র র ল র য – রাজধানী ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল লাইন-৬ চালু হওয়ার পর যাত্রীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাস রুট র্যাশনালাইজেশন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ যাত্রী এখনও সিটি বাস থেকে আসছেন। ব্যক্তিগত গাড়ি ছেড়ে মেট্রোরেলে চড়া যাত্রীর সংখ্যা সামান্য। ফলে মেট্রোরেল ব্যবহার কমানোর আশা বাস্তবে রূপ নেয়নি।
জরিপে বিশ্লেষণে জানা গেছে, মেট্রোরেলের ৮৭.৭ শতাংশ যাত্রী আগে সিটি বাস ব্যবহার করতেন। ব্যক্তিগত গাড়ি বা রাইড শেয়ারিং থেকে আসা যাত্রী মাত্র ৪.২ শতাংশ। আর ৬.৪ শতাংশ প্যারাট্রানজিট ও অযান্ত্রিক যানবাহন থেকে এবং ১.৬ শতাংশ হাঁটে যাওয়া থেকে মেট্রোরেলে আসেন।
বিশ্লেষণ অনুসারে, মেট্রোরেলের সেবার প্রতি যাত্রীর মতামত অনুযায়ী সময় সাশ্রয় সবচেয়ে গুরুতর কারণ। তার পর আরাম ও নিরাপত্তা এবং একটি সংখ্যায় নির্ভরযোগ্য সেবা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ভাড়া কমানোর দাবি করেছেন ১০.৫ শতাংশ যাত্রী।
বর্তমানে মেট্রোরেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্টেশনে যাওয়া এবং ছেড়ে যাওয়ার উপায় বিশেষ করে রিকশা ও হাঁটার ওপর নির্ভর করছে। সুতরাং ট্রেনে যাতায়াতের জন্য বাস ও অন্যান্য যানবাহনের সাহায্য ছাড়া এ পর্যায়ে কার্যকর সংযোগ ব্যবস্থা চালু হয়নি। এ কারণে এ সেবার মূল্য কমানো দরকার।
মেট্রোরেল ব্যবহারের সংকট
মেট্রোরেল লাইন-৬ চালু হওয়ার পর এখনও স্টেশনে পৌঁছাতে এবং ছেড়ে যাওয়ার জন্য যাত্রীরা রিকশা ও হাঁটার ওপর নির্ভর করছেন। জরিপে বলা হয়েছে, সব বয়সী ও নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে মেট্রোরেল ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় সমান। সম্প্রতি কম ভাড়া কারণে মেট্রোরেল ব্যবহার কম হয়নি।
“মেট্রোরেল চালু হলেই ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে, এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। বিশ্বের বড় শহরগুলোতেও মেট্রোরেলের যাত্রীরা মূলত বাস ও অন্যান্য গণপরিবহন থেকেই আসে। দক্ষিণ এশিয়া সহ বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতাও এ প্রবণতা বলে।” বাস রুট র্যাশনালাইজেশন প্রকল্পের পরিচালক ধ্রুব আলম জানান।
মেট্রোরেল ব্যবহারের প্রবণতা বেশি দেখা গেছে যখন বাস সেবা সীমিত হয়েছে। তবে এ জনপ্রিয়তা গড়ে �
