১০ গোল, হ্যাটট্রিক, ইতিহাস— কী ছিল না এই ম্যাচে
প্রথমার্ধের শুরুতে ফ্রান্সের আক্রমণ
১০ গ ল হ য টট র – যদিও ম্যাচটি সম্পূর্ণ ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এবং সমতায় ফেরার তীব্র সম্ভাবনা তৈরি হয়, তবে ইংল্যান্ড তাদের শুরুতেই ক্ষমতা অর্জন করে। মায়ামিতে খেলার প্রথম মুহূর্তে ফরাসি রক্ষণ ভাগের ওপর তীব্র চাপ বিস্তার করে ইংলিশ দল। মাত্র তিন মিনিটে গোল করে বাঁশি বাজার প্রথম গোল আসে ইংল্যান্ডের ডেক্লান রাইসের শট এবং সেই গোল দ্বারা পরাজয়ের আশঙ্কা দূর করে।
প্রথম অর্ধেক সময়ের শেষ পর্যায়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজরি কোনসা রাইসের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে। সাকার দ্বারা ফরাসি ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে এক গোল নিয়ে ম্যাচটি ৩-০ ব্যবধানে অগ্রগতি করে। প্রথমার্ধের সমাপ্তির সময়ে ইংলিশ ডিফেন্স কাঁপতে থাকে বারকোলা দ্বারা গোল করে এমবাপ্পে মাত্র ছয় মিনিট পর গোল করে ফ্রান্স দলে নতুন চালানো পায়।
দ্বিতীয়ার্ধে সাকা ও বেলিংহামের সূত্র
ম্যাচের দ্বিতীয় অর্ধেক সময়ে ফ্রান্স সম্পূর্ণ আক্রমণে ব্যবহার করে চার পরিবর্তন করে অপেক্ষাকৃত কম ব্যবধান আসে। ইংল্যান্ড যখন নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক করে মায়ামি মাঠে, তখন বুকায়ো সাকা এবং জুড বেলিংহাম দুজনের সাথে অবশ্যই ম্যাচ চালানো হয়। মাত্র দুই মিনিটে ফ্রান্স মুখোমুখি হয় একটি চূড়ান্ত স্নায়ুযুদ্ধে।
ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে যখন সমতা বাঁচানোর প্রয়োজন হয়, তখন বুকায়ো সাকা তাদের দলকে এগিয়ে রাখে বিশ্বকাপে তার রেকর্ড ২২ ও চলতি আসরে দশম গোল করে। কিন্তু সমাপ্তির আগে ইংলন্ড হারায় ফ্রান্সের প্রতি আক্রমণে উসমান দেম্বেলে দুর্দান্ত শটে এক গোল করে।
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ৬-৪ গোলের এক ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। যদিও ফ্রান্স এতগুলি গোল করে, তবু ইংলিশদের সেরা সাফল্য হয় ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের মঞ্চে।
গোলবন্যা ও নীতিবিপ্রতীপ মুহূর্ত
ফরাসি কোচের পরিবর্তনের ফলে ম্যাচটি আরও উত্তেজনা�
