Sports

সেমিফাইনাল শেষে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের সমর্থকদের সংঘর্ষ

সেমিফাইনাল শেষে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের সমর্থকদের সংঘর্ষ

স ম ফ ইন ল শ ষ – আটলান্টায় সেমিফাইনালের ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সমর্থকদের মধ্যে উত্তাপ ছিল নির্বিবাদ। দুই দলের খেলোয়াড়রা শরীরনির্ভর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। মাঠে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের পতাকা উত্তোলন করেছিল আর্জেন্টিনার ভক্তরা। এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে আর্জেন্টিনা ভক্তরা মেসি ও ম্যারাডোনার ছবি নিয়ে উদযাপন করছেন।

ম্যাচের পর আর্জেন্টিনার সমর্থকরা ইংল্যান্ডের ভক্তদের খোঁচা দিয়ে স্প্যানিশ ভাষায় কী যেন বলছিলেন। এক পর্যায়ে এক ইংল্যান্ডি সমর্থক টুপি ছুড়ে মারেন। পুলিশ তাঁকে সামাল দিতে হয়েছিল। এমনকি এক ভিডিওতে মেসির জার্সি পরিহিত আর্জেন্টাইন সমর্থককে ধরে নিয়ে যাওয়া দেখা যায়।

পুলিশ সদস্যরা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে আর্জেন্টিনা ভক্তদের আটলান্টার বাইরে এক সমর্থক টুপি ছুড়ে মারেন।

সেমিফাইনালের আগে এই ম্যাচ আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে আরও বিশেষ গুরুত্ব ছিল। কারণ এ দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক ইতিহাস। ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধে প্রায় ৬৫০ আর্জেন্টাইন, ২৫৫ ব্রিটিশ সেনা এবং তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এ সংক্রান্ত ভাষা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ফুটবলে লাল ও হলুদ কার্ডের প্রচলন হয়।

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা তাঁর বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেছিল। ম্যাচের সময় আন্তোনিও রাতিন গোল করার পর জার্মান রেফারি রুডলফ ক্রেইটলেইন তাঁকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন। রাতিন সে নির্দেশ অস্বীকৃতি জানান।

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে। এ জয় ঘটনাস্থলে যে সংঘর্ষ সৃষ্টি করেছে তা আগে থেকেই আশা করা হত। এনসো ফের্নান্দেস এবং লাউতারো মার্তিনেস দুটি গোল করেছেন। এ ম্যাচে মেসির শেষ মুহূর্তে দুই অ্যাসিস্টের ফলে আর্জেন্টিনা জয় পেয়েছে।

২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার লিওনেল স্কালোনির দল শিরোপা জিতেছিল। এবার তাঁদের ধরে রাখতে নামবেন মেসি ও এমিলিয়ানো মার্তিনেস। পরবর্তী ম্যাচে নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনা স্পেনকে মুখোমুখি হবে। আগে পরশু মায়ামিতে হবে ফ্রান্স-ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।

Leave a Comment